Posts

Showing posts from December, 2018

প্রকল্পের নাম: আমার ধান, আমার চাতাল

Image
ধান ও অন্যান্য কৃষি পণ্য রোদে শুকানো জন্য চাতাল এবং তা সংরক্ষণের জন্য চিরাচরিত গােলা নির্মাণের উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী, কৃষক গোষ্ঠী সমূহ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী মধ্যে থেকে নির্বাচিত উপভোক্তাদের চাতাল ও চিরাচরিত গােলা নির্মাণের জন্য কৃষি বিপণন অধিকারের পক্ষ থেকে যথাক্রমে ১৭,৯৭৫ টাকা ও ৫০০০ টাকা ভরতুকি হিসাবে অনুদান প্রদান করা হয়ে থাকে।  • কারা আবেদন করতে পারবেন: প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষক গোষ্ঠী, স্বনির্ভর গােষ্ঠী।  * দপ্তর : কৃষিজ বিপণন দপ্তর  • যােগাযােগ: এই প্রকল্পে কৃষককে তাঁর পরিচয় পত্র ও প্রাসঙ্গিক কিছু তথ্যাদি-সহ ব্লক স্তরে আবেদনের মাধ্যমে জেলা কৃষি বিপণন আধিকারিক এর অনুমোদন পেতে হয়। প্রকল্প অর্থবহ করে তােলার জন্য একজন উপভােক্তা একটি সুবিধা আবার সম্বলিতভাবে একসঙ্গে দুটি সুবিধা পেতে পারেন। (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: আলােশ্রী

Image
সৌর বিদ্যুতের ব্যাপক ব্যবহার ও প্রয়োগ । এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ এসইডিসিএল, পশ্চিমবঙ্গ এসইটিসিএল এবং অন্যান্য সরকারি বাড়ি ও অফিসে ১৫০ কোটি ব্যয়ে ২১.৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড কানেকটেড রুফ টপ সােলার পিভি পাওয়ার প্ল্যান্ট (জিআরটিএসপিভি) তৈরি হয়েছে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩০টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রকল্পে প্রতি ক্ষেত্রে ১০ কেডব্লিউপি সৌর বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়।  WBSEDCL ও WBREDA যথাক্রমে আলােশ্রী প্রকল্পের অধীনে WBSEDCL ও WBSETCL এর নিজস্ব অফিস বাড়িগুলিতে ৭৩.৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০.৫ মেগাওয়াট ও ১২.৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২.৪৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সােলার রুফটপ পিভি প্ল্যান্ট তৈরি করেছে।  • কারা আবেদন করতে পারবেন:  এর জন্য আলাদা করে কোনও আবেদনপত্র জমা করার। প্রযোজন নেই।  • দপ্তর: বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি উৎস দপ্তর। • যােগাযােগ: চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বিভাগ, বিদ্যুৎ ভবন, পঞ্চম তল, ব্লক-বি, সল্টলেক, কলকাতা-৭০০০৯১ বা ফি ইঞ্জিনিয়ার, WBREDA ১/১০, ইপি এবং জিপি ব্লক, বিকল্প শক্তি ভবন, সেক্টর - ৫, সল্ট লেক, কলকাতা - ৭০০০৯১ (জেনে নি

প্রকল্পের নাম: যুবশ্রী

Image
'যুবশ্রী' প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের শ্রম দপ্তরের অধীন এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংক এ নথিবদ্ধ অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী যুবক যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা হারে ভাতা পান।  ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুবশ্রী প্রকল্পের সূচনা করেন। এই প্রকল্পে মােট উপভােক্তার সংখ্যা ২.৬৬ লক্ষ ও মাসিক উপভােক্তার সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ।  নথিভুক্ত যুবক-যুবতীরা যাতে নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারেন বা তাঁদের শিক্ষা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেই উদ্দেশ্যেই এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের অধীন ভাতা-প্রাপকদের প্রতি ৬ মাস অন্তর প্রশিক্ষন সংক্রান্ত তথ্য এবং তিনি এখনও প্রকল্পের সমস্ত প্রকল্পের যোগ্যতাবলীর অধিকারী কিনা সেই সংক্রান্ত একটি স্ব-ঘোষণা জমা করতে হয়। এই প্রকল্পের  সহায়তা নিয়ে যাঁৱচাকরি পাবেন বা স্বনির্ভর হবেন তারা আর এই আর্থিক সহায়তা পাবেন না। পরিবর্তে নতুন চাকরিপ্রার্থীরা পর্যায়ক্রমিকভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।  • কারা আবেদনের যোগ:  'চাকরিপ্রার্থী' হিসেবে রাজ্যের শ্রম দপ্তরের এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংক-এ নাম নথিভুক্ত কর

প্রকল্পের নাম : আমার ফসল, আমার গোলা

Image
উৎপাদন পরবর্তী স্তরে ফসলের পচয় রােধে এবং গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে মজুত করার উদ্দেশ্যে কুষিজ বিপণন অধিকার এই প্রকল্পে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের গোলা নির্মাণের জন্য আবেদনপত্র সাপেক্ষে ভরতুকি হিসাবে অনুদান দিয়ে থাকে । এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিরাচরিত গােলা নির্মাণের জন্য ৫০০০ টাকা, উন্নত মানের গােলা নির্মাণের জন্য ১৭,৩২৯ টাকা। এবং পেয়াজের গােলা নির্মাণের জন্য ৩২,৮৩৯ টাকা দেওয়া হয়ে থাকে  ।  • কারা আবেদন করতে পারবেন: প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষক গােষ্ঠী, স্বনির্ভর গােষ্ঠী।  • দপ্তর : কৃষি বিপণন দপ্তর • যােগাযােগ: কৃষককে তাঁর পৱিচয় পত্র ও প্রাসঙ্গিক কিছু তথ্যাদি-সহ ব্লক স্তরে আবেদনের মাধ্যমে জেলা কৃষি বিপণন আধিকারিকের অনুমোদন পেতে হয়।  (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: আমার ফসল, আমার গাড়ি

Image
উৎপাদিত ফসল থেত থেকে তোলার পর ক্ষতি রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল দ্রুত বাজারজাত করার জন্য কৃষি বিপণন অধিকারের পক্ষে থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী, কৃষক গোষ্ঠী সমূহ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ইত্যাদির মধ্যে থেকে নির্বাচিত উপভোক্তাদের ৬টি প্লাস্টিক ক্রিকেট-সহ ভ্যান রিকশা মনুষ্য চালিত সবজি বহন কারী গাড়ি দেওয়া হয়ে থাকে।  * কারা আবেদন করতে পারবেন: প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষক গোষ্ঠী, স্বনির্ভর গােষ্ঠী।  • দপ্তরে: কৃষি বিপণন দপ্তর। • যােগাযােগ: এক্ষেত্রে নির্বাচিত উপভোক্তা একটি ভ্যান রিকশা ক্রয় করার জন্য কৃষিজ বিপণন অধিকার এর তরফ থেকে ১০,০০০ টাকা ভর্তুকি হিসাবে অনুদান পেয়ে থাকেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে জেলা কৃষিজ আধিকারিক দরপত্রের মাধ্যমে ভ্যান গাড়ি ক্রয় করে নির্বাচিত উপভোক্তা দের মধ্যে বন্টন করতে পারেন। (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: সবলা

Image
কিশােরীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জীবনশৈলী ও কর্মসংস্থানগত উন্নতি ঘটিয়ে তাদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করা হচ্ছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। পরিপুরক পুষ্টির ব্যবস্থা করা হচ্ছে স্বনির্ভর গােষ্ঠীর তৈরি খাবার অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের মাধ্যমে কিশােরীদের সরবরাহ করে। এইভাবে অপুষ্টি দূর করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কৈশাের-জনিত প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্য, পরিবার ও শিশুর সুরক্ষা এবং যত্নের  ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে কিশােরীদের মধ্যে। রাজ্যের ৭টি জেলায় 'কন্যাশ্রী প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় তৈরি করে এই প্রকল্প চলছে।  গৃহকর্মে ও জীবনের নানা ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃত্তিমুখী প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয় বহির্ভুত কিশােরীদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করার কাজ চলছে এই প্রকল্পে। তাদের কিশােরী কার্ড নামে একটি কার্ড দেওয়া হচ্ছে যেখানে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য দেওয়া ঘাকবে।  * কারা আবেদন করতে পারবেন: ১১ থেকে ১৮ বছর বয়সি অবিবাহিত কিশােরী কন্যারা । বর্তমানে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, নদিয়া, পুরুলিয়া, কলকাতা, মালদা এবং আলিপুরদুয়ার এই ৭টি জেলায় এই প্রকল্প চলছে।  • দপ্তর: নারী ও শিশু উন্

প্রকল্পের নাম: সবার ঘরে আলাে

Image
আধুনিক জীবনযাপনে বিদ্যুতের অপরিসীম গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে রাজ্যের বিদ্যুৎবিহীন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযােগের জন্য এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়।  প্রধানত উত্তরবঙ্গ, পশ্চিমাঞ্চল এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রান্তিক গ্রামগুলিতে বিদ্যুৎ সংযােজনের ফলে রাজ্যের উন্নয়নে অন্যান্য প্রকল্প গুলির সার্থক রূপায়ণ সম্ভব হচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সুবিধা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌছে দিতে হলে বিদ্যুৎ পরিষেবার প্রসার অপরিহার্য। সকলেই যাতে উন্নয়নের সুফল ভােগ করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প। আয়সৃজনের  জন্যও এই প্রকল্পের বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা অনস্বীকার্য।  'সবার ঘরে আলাে' প্রকল্পের অধীনে ১৬.৪০ লক্ষ গৃহে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ । • কারা আবেদন করতে পারবেন : গ্রামীণ অঞ্চলের প্রত্যেক গৃহস্থই এই প্রকল্পের সুযােগ পাবেন।  • দপ্তর: বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি উৎস দপ্তর • যােগাযােগ: স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যালয়ে যােগাযােগ করতে হবে। (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: সবুজশ্রী

Image
এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুকে জন্মগ্রহণের পরপরই একটি মূল্যবান গাছের চারা দেওয়া হচ্ছে।  ওই চারাটি শিশুর নামে লাগাতে হবে। এবং শিশুর সঙ্গে সঙ্গে চারাটি বড়াে হবে । শিশুর পরিবার চারাটিকে ও শিশুকে সযত্নে, লালনপালন করবে। শিশু বড়াে হলে শিশুর প্রয়ােজনে ওই চারা থেকে বেড়ে ওঠা বৃক্ষটিকে আর্থিক কারণে বা প্রয়ােজনে ব্যবহার করা যাবে। এর ফলে শিশুটির ভবিষ্যতের আর্থিক সুরাহার পাশাপাশি গাছটি জীবজগৎ'-কেও এতগুলাে বছর ধরে অনেক কিছুই দেবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৬-র ১৯ ডিসেম্বর এই প্রকল্পের সূচনা করেন।  প্রকল্পের সুবিধাভােগী প্রত্যক্ষভাবে রাজ্যের প্রতিটি নবজাতক এবং পরােক্ষভাবে প্রতিটি রাজ্যবাসী। এটি একটি বহুমুখী পরিকল্পনা।  এই প্রকল্পের মাধ্যমে ‘সবুজ বাংলা' গড়ে তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে প্রকৃতি ও মানবসন্তান-এর মধ্যে যে অচ্ছেদ্য সম্পর্ক ও অনভূতি গড়ে তােলার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে নিঃসন্দেহে তা অভিনব। ইতিমধ্যে ১৫ লক্ষেরও বেশি চারাগাছ এই প্রকল্পে লাগানাে হয়েছে।  * প্রকল্পের সুযােগ কারা পাবেন: রাজ্যের নবজাতকেরা।  * যােগাযােগ: প্রতিটি শিশু জন্মানাের পর বনদপ্তর থেকে তার বাবা-মায়ের স

প্রকল্পের নাম: সমর্থন

Image
২০১৬ সালের নভেম্বরে নােটবন্দিকরণের ফলে কাজ হারিয়ে রাজ্যে ফিরে আসা শ্রমিকদের সহায়তা করার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে এই প্রকল্প চালু করা হয়।  কাজ হারানাে এইসব শ্রমিকদের এই প্রকল্পে এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এই টাকা নিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে তাঁরা যাতে আবার নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারেন সেই লক্ষ্যেই এই প্রকল্প। রাজ্যের বেকার সমস্যার উপর 'নােটবন্দি'-র ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত বোঝার মােকাবিলায় সময়ােপযােগী এই প্রকল্প অতি দ্রুততার সঙ্গে চালু করা হয়। ২০১৮-র মার্চ পর্যন্ত ১৮.৮৪০ জন এই ধরনের শ্রমিককে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে ৯৪.২০ কোটি টাকা অনুমােদন করা হয়।  * কারা আবেদন করতে পারবেন:  নােটবন্দিকরণের ফলে রাজ্যের বাইরে কাজ হারানাে যে শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরে এসেছেন। প্রাথমিকভাবে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান (পূর্বতন), নদিয়া, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুর এই দলটি জেলায় সমর্থন প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে ।  • যােগাযােগ:  উপরে উল্লিখিত ১০টি জেলার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বা ব্লক অফিসে যােগাযােগ করতে হবে। (জেনে নিন,

প্রকল্পের নাম: সমব্যথী

Image
পরিবারের অতি আপনজন, নিকটাত্মীয় কিংবা পাড়া দীর্ঘদিনের পরিচিত প্রতিবেশীর মৃত্যু ঘটেছে। শােকাতুর পরিবার। পাড়ায়, গ্রামে, মহল্লায় শােকের ছায়া একই সঙ্গে আরও একটি চিন্তা পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম বা কবর দেওয়ার খরচ কী করে জোগাড় হবে। পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার।  এই প্রকল্পের দ্বারা দুস্থ পরিবারের কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম , মৃতদেহের সৎকার, কবরস্থ বা অন্যান্য প্রচলিত রীতিনীতি পালন করার জন্য মৃতের খুব কাছের কোনও আত্মীয়কে এককালীন ২ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, দুস্থ মানুষের মৃত্যুতেও সমব্যাথী রাজ্য সরকার।  • কারা আবেদন করতে পারবেন:  মৃতের পরিবারকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এবং আর্থিকভাবে দুর্বল বা দুঃস্থ হতে হবে। মৃত ব্যক্তির শেষকৃত্য অর্থাৎ দাহ বা কবরের কাজ পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে করতে হবে। মৃতের পরিবারের সদস্য বা নিকট প্রতিবেশীকে মৃত্যুর প্রমাণের সমস্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।  * দপ্তর: পুরসভা ও পুনিগম এলাকায় নগরােন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর এবং ব্লক এলাকায় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। * যােগাযােগ: পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস আর পৌর এলাকায়

প্রকল্পের নাম: সমাজসাথী

Image
স্বনির্ভর গােষ্ঠীর সদস্য/ সদস্যাদের ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার আওতায় নিরাপত্তা দেয়াই (১৮-৬০ বছর বয়স পর্যন্ত) এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। দুর্ঘটনার সময় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আচমকা যে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়, মােকাবিলা করতেই স্বনির্ভর গােষ্ঠীর সদস্য ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার।  • কারা প্রকল্পের সুবিধা পাবে: এই প্রকল্পে প্রতিটি স্বনির্ভর গােষ্ঠীর সদস্য বা সদস্যা বিনামূল্যে বছরে সর্বাধিক ২ লক্ষ টাকার দুর্ঘটনা বিমা পরিষেবা পাবেন। প্রকল্পের আওতায় দুর্ঘটনাজনিত চিকিৎসার খরচ, হাসপাতালে ভর্তির খরচ ছাড়াও চিকিৎসার সময় আরও কিছু সুযােগ সুবিধা পাওয়া যায়। কাজে অনুপস্থিত থাকার দরুণ দৈনিক পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হন সেই ব্যক্তি। এর ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয় সমাজসাথী প্রকল্পে। এছাড়া বিমা সংস্থা সংশ্লিষ্ট সুবিধাভােগী ব্যক্তিকে নানাভাবে সাহায্য করবে—তথ্য, শিক্ষা, যােগাযোগ, নাম নথিভুক্ত করানাে, স্মার্ট কার্ড সরবরাহ করা ইত্যাদি। বিমা প্রকল্পটি রাজ্যের সবক'টি জেলাতেই কাজ করবে। ২০১৭ সাল থেকে এই প্রকল্পের সুযোগসুবিধা আরও কিছু বাড়ানাে হয়েছে। বর্তমানে প্রাপ্ত সুবিধাঞ্জলি নিম্নরূপ -- ক) সুবিধাভােগীর মৃত

প্রকল্পের নাম: সুফল বাংলা

Image
২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সালে এই প্রকল্প শুরু হয়। চাষিদের থেকে লাভজনক দামে সরাসরি কৃষিপণ্য সংগ্রহ করে যুক্তিযুক্ত দামে, তা মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া হয় চলমান অথবা স্থায়ী বিপণন কেন্দ্রের মাধ্যমে। এইসব 'সুফল বাংলা বিপণিতে এক ছাদের তলায় সবজি, ফল, মাংস, দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য, চাল, ডাল, সবধরনের সুগন্ধী চাল পাওয়া যায়। সমগ্র রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৭৭টি বিপণি খােলা হয়েছে। সিঙ্গুর তাপসী মালিক কৃষক বাজার এই প্রকল্পের মুখ্যকেন্দ্র। প্রকল্পের ওয়েবসাইট ও মােবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিন কৃষিপণ্য ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য প্রচার করা হয়।  * কারা আবেদন করতে পারবেন: ফসল বিক্রির জন্য ব্যক্তি কৃষক ও কৃষক দল নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন এবং নিবন্ধীকৃত ফার্মার্স প্রােডিউসার্স কোম্পানি লিমিটেডগুলি বিপণি পরিচালনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।  * দপ্তর : কৃষি বিপণন দপ্তর * যোগাযোগ : কৃষি বিপণন বিভাগের পশ্চিমবঙ্গ এগ্রো মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেড । অধীন প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট (PMU) এই প্রকল্প পরিচালনা করে। উল্টোডাঙ্গার উত্তরাপণে প্রধান কার্যালয়ে অথবা জেলা ও মহকুমার সংশ্লিষ্ট কৃষিজ বিপণন আধিকারিকের দপ্তরে যোগ

প্রকল্পের নাম: সেচবন্ধু

Image
‘সেচবন্ধু/REPS ' একটি কৃষক বন্ধু প্রকল্প যা ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আজ পর্যন্ত ৫৮৯৮৯টি নতুন সেচপ্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযােগ দেওয়ার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন সেচ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা যাবে, অন্যদিকে খাদ্যের জোগান যথেষ্ট বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতির ক্ষেত্রে বিপুল পরিবর্তন ঘটবে।  • কারা আবেদন করতে পারবেন: দরিদ্র কৃষকেরাই এই প্রকল্পের সুযােগ পাবেন।  • দপ্তর: বিদ্যুৎ এবং অচিরাচরিত শক্তি উৎস দপ্তর। • যােগাযােগ: স্থানীয় গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যােগাযােগ করতে হবে। (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন )

প্রকল্পের নাম: স্বাস্থ্য সাথী

Image
উন্নতমানের আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রত্যেক প্রান্তিক মানুষের দরজায় পৌছে দেওয়া । এবং সেটি স্বচ্ছতা ও আধুনিকতার পাশাপাশি অত্যাধুনিক ই-প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজ্যের কয়েক লাখ আইসিডিএস কর্মী, আশা কর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার, স্বনির্ভর গােষ্ঠী, হােমগার্ড, গ্রিন পুলিশ, বিপর্যয় মােকাবিলা কর্মী, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সকল সদস্য, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আংশিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, অর্থ দপ্তরের অনুমতিক্রমে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মুখে আজ হাসির ঝিলিক।  অন্যান্য স্মার্ট কার্ডের মতাে এই কার্ড নিয়ে সমস্ত সরকারি হাসপাতাল-সহ। ৭০০-র বেশি বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হবে। ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ওই কার্ডধারীর পরিবারের যে কেউ, বছরে চিকিৎসা ক্যাশলেস হিসেবে। বিশেষ জটিল রােগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৩.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার আওতায় থেকে চিকিৎসা করা যাবে।  এই স্বাস্থ্য বিমার আওতায় ১৯০০-র বেশি ধরনের রােগের চিকিৎসার সুবিধা দিচ্ছে সরকার। হাসপাতালে থাকাকালীন সমস্ত চিকিৎসা, পরীক্ষা ও নিরীক্ষা, ওষুধ, খাবার দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে। এছাড়া যাতায়াত ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা এবং ভর্তির একদিন আগে ও ছাড়া পাওয়ার পরের ৫ দিনের ওষুধও ব

প্রকল্পের নাম: স্বাবলম্বন স্পেশাল

Image
এই প্রকল্পের মাধ্যমে পেশাদার যৌনকর্মীদের এবং তাদের অসুরক্ষিত কন্যাসন্তানদের সমাজে সুস্থ ও সম্মানযােগ্য জীবনযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিকল্প পেশায় নিয়ােজিত করার উদ্দেশ্যে এই প্রথম সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  সাফল্য: ইতিমধ্যে, প্রথাগত প্রশিক্ষণের বাইরে গিয়ে টেলিভিশন সিরিয়ালে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় এবং সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজের জন্য বিশিষ্ট চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীগণের দ্বারা প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে প্রশিক্ষিত যৌনকর্মী এবং তাদের কন্যাসন্তানগণ বিকল্প এবং সম্মানযােগ্য পেশায় নিজের দক্ষতায় নিয়ােজিত হয়েছেন এবং সমাজে সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করছেন। • কারা প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন: যৌনকর্মী এবং তাদের কন্যাসন্তানগণ।  • কারা আবেদন করবেন: যৌন এলাকায় কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান যারা এই পরিষেবা দিতে আগ্রহী।  দপ্তর: নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তর । যােগাযােগ: পশ্চিমবঙ্গ নারী উন্নয়ন নিগম, পশ্চিমবঙ্গ নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের অধীনস্থ সংস্থা। নির্মাণ ভবন, লবণ হ্রদ, কলকাতা - ৯১ (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্

প্রকল্পের নাম: স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্প (SVSKP)

Image
রাজ্য জুড়ে সফল উদ্যোগী গড়ে তােলা। শহর ও গ্রাম—দু জায়গাতেই বেকার যুবক-যুবতীদের স্বনিযুক্তির উদ্দেশ্যে এটি একটি পথিকৃৎ প্রকল্প। প্রকল্পটি রূপায়িত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ স্বরােজগার নিগম লিমিটেড (WISCL)- এর মাধ্যমে। যাঁরা নিজের উদ্যোগে কোনও ব্যবসা বা কর্মসংস্থানের কাজ  করবেন এবং একই অঞ্চলের ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে দল তৈরি করে কোনও আর্থিক উদ্যোগ শুরু করবেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের সরকারি ভরতুকি দেওয়া হবে। ছােটো ছোটো উৎপাদন ক্ষেত্র, নির্মাণশিল্প, ব্যবসা, পরিষেবা, কৃষি-ভিত্তিক শিল্প, যুলচাষ, উদ্যানপালন, প্রাণীপালন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রকল্প ব্যযের ৩০ শতাংশ ভরতুকি বাবদ পাওয়া যাবে অর্থাৎ ব্যক্তিগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা  এবং দলগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কমপক্ষে ৫ জনের দল হতে হবে। একটি পরিবারের শুধু একজন সদস্যই দলে থাকবেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে এর নাম 'আত্মমর্যাদা এবং প্রকল্প বায় ১০ লাখ টাকা। দলগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে এর নাম 'আত্মসম্মান’ এবং প্রকল্প ৰায় ২৫ লাখ টাকা। উদ্যোক্তা মােট প্রকল্প ব্যয়ের ৫ শতাংশ ব্যয় বহন করবেন। কেবলমাত্র মেয়াদি ঋণের ক্ষেত

প্রকল্পের নাম: সাংবাদিকদের অবসরকালীন ভাতা (ওয়েস্ট বেঙ্গল পেনশন স্কিম ফর জার্নালিস্টস, ২০১৮)

Image
সাংবাদিকরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চাকুরিক্ষেত্র থেকে অবসর গ্রহণের পর আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হয়ে পড়ে। বয়স্ক সাংবাদিকদের এই অর্থনৈতিক সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে এই পেনশন প্রকল্পের সূচনা করেন। দুস্থ, বয়স্ক সাংবাদিকরা জীবিতাবস্থায় এর মাধ্যমে মাসিক ২৫০০ টাকা করে পেনশন পাবেন। • কারা আবেদন করতে পারবেন:  যে সব সাংবাদিকের ষাট বছর বয়স অতিক্রান্ত হয়েছে এবং যাদের চাকরি থেকে অবসরের পর মাসিক রোজগার দশ হাজার টাকা কম এবং দশ বছরের বেশি সময় ধরে যাদের প্রেসকার্ড আছে, তাঁরাই এই পেনশনের। জন্য আবেদন করতে পারবেন। • দপ্তর:  তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। • যোগাযোগ: তথ্য অধিকর্তা, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, নবান্ন, হাওড়া (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: আনন্দধারা

Image
গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা। এটি মূলত দারিদ্র হাসের জন্য জীবিকাভিত্তিক প্রকল্প। মহিলা স্বনির্ভর গােষ্ঠীকে ৩০ শতাংশ ভরতুকি দিয়ে উৎপাদন এবং অন্যান্য কাজে উৎসাহিত ও সক্রিয় করে তােলার জন্য এই প্রকল্প। নারীর আর্থিক স্বাবলম্বনের  ক্ষেত্রটিকে মজবুত করে গড়ে তুলতে পারলে দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল ও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠবে। দেশ ও জন সাধারণের কল্যাণের জন্য গ্রামীণ মহিলাদের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তােলাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। ২০১২-র ১৭মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যে আনন্দধাৱা প্রকল্পের সূচনা করেন। দরিদ্র গ্রামীণ পরিবারের অন্তত একজন মহিলা যদি স্বনির্ভর গােষ্ঠীর সদস্য হতে পারেন, তাহলে সেই পরিবারটি নানা সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে। এই বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করার লক্ষেই আনন্দধারা প্রকল্প।  এই প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী সংগঠন তৈরি করে লাভজনক স্বনিযুক্তি এবং দক্ষতার  ভিত্তিতে মজুরি প্রাপ্তির সুযােগ বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের জীবিকার মজবুত ভিত্তি এবং জীবনধারার  প্রশংনীয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য সহজে