Posts

প্রকল্পের নাম: আমার ধান, আমার চাতাল

Image
ধান ও অন্যান্য কৃষি পণ্য রোদে শুকানো জন্য চাতাল এবং তা সংরক্ষণের জন্য চিরাচরিত গােলা নির্মাণের উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী, কৃষক গোষ্ঠী সমূহ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী মধ্যে থেকে নির্বাচিত উপভোক্তাদের চাতাল ও চিরাচরিত গােলা নির্মাণের জন্য কৃষি বিপণন অধিকারের পক্ষ থেকে যথাক্রমে ১৭,৯৭৫ টাকা ও ৫০০০ টাকা ভরতুকি হিসাবে অনুদান প্রদান করা হয়ে থাকে।  • কারা আবেদন করতে পারবেন: প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষক গোষ্ঠী, স্বনির্ভর গােষ্ঠী।  * দপ্তর : কৃষিজ বিপণন দপ্তর  • যােগাযােগ: এই প্রকল্পে কৃষককে তাঁর পরিচয় পত্র ও প্রাসঙ্গিক কিছু তথ্যাদি-সহ ব্লক স্তরে আবেদনের মাধ্যমে জেলা কৃষি বিপণন আধিকারিক এর অনুমোদন পেতে হয়। প্রকল্প অর্থবহ করে তােলার জন্য একজন উপভােক্তা একটি সুবিধা আবার সম্বলিতভাবে একসঙ্গে দুটি সুবিধা পেতে পারেন। (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: আলােশ্রী

Image
সৌর বিদ্যুতের ব্যাপক ব্যবহার ও প্রয়োগ । এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ এসইডিসিএল, পশ্চিমবঙ্গ এসইটিসিএল এবং অন্যান্য সরকারি বাড়ি ও অফিসে ১৫০ কোটি ব্যয়ে ২১.৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড কানেকটেড রুফ টপ সােলার পিভি পাওয়ার প্ল্যান্ট (জিআরটিএসপিভি) তৈরি হয়েছে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩০টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রকল্পে প্রতি ক্ষেত্রে ১০ কেডব্লিউপি সৌর বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়।  WBSEDCL ও WBREDA যথাক্রমে আলােশ্রী প্রকল্পের অধীনে WBSEDCL ও WBSETCL এর নিজস্ব অফিস বাড়িগুলিতে ৭৩.৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০.৫ মেগাওয়াট ও ১২.৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২.৪৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সােলার রুফটপ পিভি প্ল্যান্ট তৈরি করেছে।  • কারা আবেদন করতে পারবেন:  এর জন্য আলাদা করে কোনও আবেদনপত্র জমা করার। প্রযোজন নেই।  • দপ্তর: বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি উৎস দপ্তর। • যােগাযােগ: চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বিভাগ, বিদ্যুৎ ভবন, পঞ্চম তল, ব্লক-বি, সল্টলেক, কলকাতা-৭০০০৯১ বা ফি ইঞ্জিনিয়ার, WBREDA ১/১০, ইপি এবং জিপি ব্লক, বিকল্প শক্তি ভবন, সেক্টর - ৫, সল্ট লেক, কলকাতা - ৭০০০৯১ (জেনে নি

প্রকল্পের নাম: যুবশ্রী

Image
'যুবশ্রী' প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের শ্রম দপ্তরের অধীন এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংক এ নথিবদ্ধ অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী যুবক যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা হারে ভাতা পান।  ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুবশ্রী প্রকল্পের সূচনা করেন। এই প্রকল্পে মােট উপভােক্তার সংখ্যা ২.৬৬ লক্ষ ও মাসিক উপভােক্তার সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ।  নথিভুক্ত যুবক-যুবতীরা যাতে নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারেন বা তাঁদের শিক্ষা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেই উদ্দেশ্যেই এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের অধীন ভাতা-প্রাপকদের প্রতি ৬ মাস অন্তর প্রশিক্ষন সংক্রান্ত তথ্য এবং তিনি এখনও প্রকল্পের সমস্ত প্রকল্পের যোগ্যতাবলীর অধিকারী কিনা সেই সংক্রান্ত একটি স্ব-ঘোষণা জমা করতে হয়। এই প্রকল্পের  সহায়তা নিয়ে যাঁৱচাকরি পাবেন বা স্বনির্ভর হবেন তারা আর এই আর্থিক সহায়তা পাবেন না। পরিবর্তে নতুন চাকরিপ্রার্থীরা পর্যায়ক্রমিকভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।  • কারা আবেদনের যোগ:  'চাকরিপ্রার্থী' হিসেবে রাজ্যের শ্রম দপ্তরের এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংক-এ নাম নথিভুক্ত কর

প্রকল্পের নাম : আমার ফসল, আমার গোলা

Image
উৎপাদন পরবর্তী স্তরে ফসলের পচয় রােধে এবং গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে মজুত করার উদ্দেশ্যে কুষিজ বিপণন অধিকার এই প্রকল্পে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের গোলা নির্মাণের জন্য আবেদনপত্র সাপেক্ষে ভরতুকি হিসাবে অনুদান দিয়ে থাকে । এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিরাচরিত গােলা নির্মাণের জন্য ৫০০০ টাকা, উন্নত মানের গােলা নির্মাণের জন্য ১৭,৩২৯ টাকা। এবং পেয়াজের গােলা নির্মাণের জন্য ৩২,৮৩৯ টাকা দেওয়া হয়ে থাকে  ।  • কারা আবেদন করতে পারবেন: প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষক গােষ্ঠী, স্বনির্ভর গােষ্ঠী।  • দপ্তর : কৃষি বিপণন দপ্তর • যােগাযােগ: কৃষককে তাঁর পৱিচয় পত্র ও প্রাসঙ্গিক কিছু তথ্যাদি-সহ ব্লক স্তরে আবেদনের মাধ্যমে জেলা কৃষি বিপণন আধিকারিকের অনুমোদন পেতে হয়।  (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: আমার ফসল, আমার গাড়ি

Image
উৎপাদিত ফসল থেত থেকে তোলার পর ক্ষতি রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল দ্রুত বাজারজাত করার জন্য কৃষি বিপণন অধিকারের পক্ষে থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী, কৃষক গোষ্ঠী সমূহ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ইত্যাদির মধ্যে থেকে নির্বাচিত উপভোক্তাদের ৬টি প্লাস্টিক ক্রিকেট-সহ ভ্যান রিকশা মনুষ্য চালিত সবজি বহন কারী গাড়ি দেওয়া হয়ে থাকে।  * কারা আবেদন করতে পারবেন: প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষক গোষ্ঠী, স্বনির্ভর গােষ্ঠী।  • দপ্তরে: কৃষি বিপণন দপ্তর। • যােগাযােগ: এক্ষেত্রে নির্বাচিত উপভোক্তা একটি ভ্যান রিকশা ক্রয় করার জন্য কৃষিজ বিপণন অধিকার এর তরফ থেকে ১০,০০০ টাকা ভর্তুকি হিসাবে অনুদান পেয়ে থাকেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে জেলা কৃষিজ আধিকারিক দরপত্রের মাধ্যমে ভ্যান গাড়ি ক্রয় করে নির্বাচিত উপভোক্তা দের মধ্যে বন্টন করতে পারেন। (জেনে নিন, পশ্চিমবঙ্গের ৪১ টি জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে কোথা থেকে কিভাবে পেতে পারেন)

প্রকল্পের নাম: সবলা

Image
কিশােরীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জীবনশৈলী ও কর্মসংস্থানগত উন্নতি ঘটিয়ে তাদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করা হচ্ছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। পরিপুরক পুষ্টির ব্যবস্থা করা হচ্ছে স্বনির্ভর গােষ্ঠীর তৈরি খাবার অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের মাধ্যমে কিশােরীদের সরবরাহ করে। এইভাবে অপুষ্টি দূর করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কৈশাের-জনিত প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্য, পরিবার ও শিশুর সুরক্ষা এবং যত্নের  ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে কিশােরীদের মধ্যে। রাজ্যের ৭টি জেলায় 'কন্যাশ্রী প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় তৈরি করে এই প্রকল্প চলছে।  গৃহকর্মে ও জীবনের নানা ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃত্তিমুখী প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয় বহির্ভুত কিশােরীদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করার কাজ চলছে এই প্রকল্পে। তাদের কিশােরী কার্ড নামে একটি কার্ড দেওয়া হচ্ছে যেখানে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য দেওয়া ঘাকবে।  * কারা আবেদন করতে পারবেন: ১১ থেকে ১৮ বছর বয়সি অবিবাহিত কিশােরী কন্যারা । বর্তমানে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, নদিয়া, পুরুলিয়া, কলকাতা, মালদা এবং আলিপুরদুয়ার এই ৭টি জেলায় এই প্রকল্প চলছে।  • দপ্তর: নারী ও শিশু উন্